কেশবপুরে স্যালো মেশিন ঘরে বোমা বিষ্ফোরনে শিশু আব্দুর রহমান নিহত, মা ও বোন আহত

মোঃ ইমরান হুসাইন, স্টাফ রিপোর্টারঃ

কেশবপুর উপজেলার বাউশলা গ্রামের মিজানুর রহমানের স্যালো মেশিন ঘরে রেখে যাওয়া বোমা বিষ্ফোরনে ঘটনাস্থলে মারা গেছে ছেলে আব্দুর রহমান ও গুরুতর আহত মা ও মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে । এঘটনায় পুলিশ ফারুক হোসেন নামে এক যুবলীগ নেতাকে আটক করেছে। এদিকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাশ্ববর্তি ঘেরের টোঙ ঘর থেকে মাদক সেবনের সরাঞ্জাম উদ্ধার করেছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শারিরীক চলাচলে অক্ষম স্বামীর অবর্তমানে কেশবপুর উপজেলার বাউশলা গ্রামের মিজানুর রহমানের স্ত্রী নিলুফা বেগম প্রতি দিনের ন্যায় বৃহস্পতিবার সকালেও বাড়ীর পাশ্ববর্তি মাঠে যায় তাদের স্যালো মেশিনে পানি উঠছে কিনা তা দেখতে। এসময় টোঙ ঘরে স্যালো মেশিনের পাশে পরিতাক্তবস্থায় একটি কৌটা পড়ে থাকতে দেখে কৌটাটি হাতে করে নিজ বাড়ীতে আনে। দুপুরের দিকে নিলুফা, তার ছেলে আব্দুর রহমান ও মেয়ে মারুফা মিলে কৌটাটি খোলার চেষ্টাকালে সেটি বিষ্ফোরিত হয়ে ঘটনাস্থলে ছেলে আব্দুর রহমান (১০) নিহত হয়। মারাত্বকভাবে আহত হয় নিলুফা (২৭) ও শিশু কন্যা মারুফা(৪)। প্রতিবেশীরা আহত মা-মেয়েকে মুমুর্ষবস্থায় উদ্ধার করে কেশবপুর হাসপাতালে ভর্তি করে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলের পৌছে মিজানুর রহমানের স্যালো মেশিন ঘরে রেখে যাওয়া বোমার সূত্র খুজতে গিয়ে পাশ্ববর্তি এক যুবলীগ নেতার ঘেরের টোঙ থেকে মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। পরে অভিযান চালিয়ে বোমার ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪নং বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেনের ভাই ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক ফারুক হোসেনকে সন্দেহভাজন ভাবে আটক করেছে পুলিশ।

এব্যাপারে কেশবপুর থানার তদন্ত অফিসার ওহিদুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।এবং বোমার ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ফারুক হোসেন নামে এক যুবলীগ নেতাকে আটক করা হয়েছে।