নিজস্ব প্রতিবেদক:
করোনা ভাইরাসের দাপটে বাংলাদেশের অফিস, আদালত, স্কুল, কলেজ, সকল দোকান ও যানবাহন চলাচল বন্ধসহ সাধারণ মানুষের জীবন যাত্রা স্থীর হয়ে গেলেও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ী ইউনিয়নের সীমান্ত দিয়ে এখনো ভারতীয় গরু আসা বন্ধ হয়নি। শিলখুড়ী ইউনিয়নের চার মাথা নামক জায়গায় ভারতীয় গরু বৈধ করণের বীট খাটাল এখনো চালু আছে যার মালিক মোঃ মোস্তফা। চার মাথা বীট খাটালে ১০-০৪-২০২০ইং তারিখে খোঁজ নিয়ে দেখা গেল কঠোর নিষেধাজ্ঞা সত্বেও ভারতীয় গরু দিয়ে বীট খাটালটি ভরপুর। শিলখুড়ী উত্তর ধলডাঙ্গা নামক আরেকটি বীট খাটালে খোজ নিয়ে দেখা গেল সেই বীট খাটালে কোন গরু নেই তবে এলাকার লোকজন জানান এই বীট খাটালে কোন গরু উঠানো হয় না কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাপারীদের বাড়ীতে রেখেই বৈধ করনের কাগজ পত্র দিয়ে থাকে বীট খাটালের মালিক। স্থানীয়দের সাথে কথা বলতে গেলে জানান আমরা প্রশাসনকে জানালেও প্রশাসন কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
একারণে আমরা ভারতীয় গরু আসায় খুব ভীত, হিন মনতা ও উৎকণ্ঠায় জীবন যাপন করছি। যেখানে বাংলাদেশ সরকার করোনা ভাইরাসের কারণে এক জেলার মানুষ অন্য জেলায় যেতে দিচ্ছেনা সেজায়গায় কিভাবে ভারতীয় মানুষ গরুসহ বাংলাদেশে আসছে? স্থানীয় চেয়ারম্যান (মোঃ ইসমাইল হোসেন)-কে এ বিষয়ে অবগত করলে চেয়ারম্যান জানান- বিভিন্ন ভাবে নিষেধ করা সত্বেও বীট খাটালের মালিকরা ভারতীয় গরু কলা কৌশল খাটিয়ে নিয়ে আসছে। বীট খাটালের মালিকদের সাথে কথা বললে তারা জানান সরকারি নিয়ম মেনেই ভারতীয় গরু নিয়ে আসছি। গত শুক্রবার রাত্রের আধারে ৪ মাথা ও উত্তর ধলডাঙ্গা এবং দিয়াডাঙ্গা বীট খাটাল থেকে প্রায় ৩০০ (তিনশত) গরু রাতারাতি ভূরুঙ্গামারী হাটে পৌছে এবং শনিবারে বিক্রয় করা হয়। বাংলাদেশ সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও কিছু দুষ্কৃতিকারী মানুষের কারণে ভারতীয় গরু ও মানুষের মাধ্যমে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ব্যাপক সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
Leave a Reply