1. nahidbd6969@gmail.com : kurigrampratidin :
  2. adminbackup@wordpress.org : admin-war-backup :
  3. alfred49@yahoo.com : Alfred :
  4. : cmstable :
  5. demi413@gmail.com : Demi :
  6. : devauth :
  7. : devauth :
  8. : devauth :
  9. : devauth :
  10. : devauth :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ন
প্রতিবেদন :
ভুরুঙ্গামারী সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরলেন এক নারী সহ তিন বাংলাদেশী কুড়িগ্রামে এগিয়ে চলছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি; বাড়ছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও মনোযোগ ভুরুঙ্গামারী ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি ওমর ফারুক, সেক্রেটারি মনিরুজ্জামান ভুরুঙ্গামারীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু ভুরুঙ্গামারীতে দুই মাদক কারবারী গ্রেফতার বেশি দামে সার বিক্রির দায়ে জরিমানা চার জুয়াড়ি ভুরুঙ্গামারীতে গ্রেফতার ইয়াবাসহ ভুরুঙ্গামারীতে দুই মাদককারবারী গ্রেফতার ভুরুঙ্গামারীতে উপকারভোগীদের মাঝে এসডিএস’র বকনা বাছুর বিতরণ ভুরুঙ্গামারীতে ২০ টাকায় দুপুরের খাবার, উপকার পাবেন দূর-দূরান্তের শিক্ষার্থীরা

ভুরুঙ্গামারীতে বর্ষা মৌসুমে বেড়েছে দেশীয় মাছ ধরার ফাঁদ বিক্রি

  • Update Time : শনিবার, ১২ জুলাই, ২০২৫
  • ১৪২ Time View
ভুরুঙ্গামারীতে বর্ষা মৌসুমে বেড়েছে দেশীয় মাছ ধরার ফাঁদ বিক্রি

এ এস খোকন, ভুরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ আষাঢ় ও শ্রাবণ মাস মিলে বর্ষাকাল। প্রকৃতিতে শীতল পরশ নিয়ে আসে বর্ষা। প্রকৃতি যেন ফিরে পায় নবজীবন। চলছে আষাঢ় মাস। খাল-বিল ও জলাশয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে পানি। নতুন পানি পেয়ে মাছের ঝাঁকের বিচরণ শুরু হয়েছে। পানি বাড়ার সাথে সাথে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় বেড়েছে মাছ ধরার ফাঁদ বিক্রি।

স্থানীয় কারিগররা দেশীয় বাঁশ দিয়ে তৈরি করছেন মাছ ধরার নানান রকম ফাঁদ এবং নারীরা অবসরে ঘরে বসে এসব উপকরণ তৈরি করে বাড়তি আয় করছেন। অন্যদিকে পেশাদার ও মৌসুমী জেলের পাশাপাশি অনেকে এসব ফাঁদ দিয়ে মাছ ধরে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাজার বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করছেন।

মাছ ধরার এসব দেশীয় উপকরণকে বিভিন্ন নামে ডাকা হয়। ঝাঁকি জাল, টানা জাল, ঠেলা জাল, পলো, পেতে রাখা জাল, বাইড়, ফসকা ও বড়শি।

সাধারণত ফাঁদে ধরা পড়ে দারকে, পুঁটি, চান্দা, টাকি, খলিসা, ট্যাংরা, কই, বাইম মাছ ও রুই, কারফু, ছোট কাতল, শোল মাছসহ বিভিন্ন মাঝারি এবং বড় প্রজাতির মাছ।

সপ্তাহে দুই দিন (শনি ও মঙ্গলবার ) উপজেলার হাট ঘুরে দেখা গেছে- মাছ ধরার বিভিন্ন ফাঁদ নিয়ে বসে আছেন বিক্রেতারা। পেশাদার ও শৌখিন মাছ শিকারিদের আনাগোনায় জমে উঠেছে হাট-বাজার। আকার ও প্রকারভেদে ১০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন মাছ ধরার উপকরণ বিক্রি হচ্ছে।

উপজেলার সদর ইউনিয়নের নলেয়া গ্রামের পাইকারি বিক্রেতা সুরুজ্জামান বলেন, আমি আমার পরিবার সহযোগিতায় মাছ ধরার নানান রকম ফাঁদ ও মাছ রাখার খলুই তৈরি করি। এসব ফাঁদ পাইকারি বিক্রির পাশা-পাশি খুচরাও বিক্রি করি। এতে আমার হাট প্রতি ১ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ থাকে।

ভুরুঙ্গামারী হাটের মাছ ধরার ফাঁদ বিক্রেতা সাইদুল ইসলাম ও জালাল উদ্দিন বলেন, বর্ষা মৌসুমে খাল-বিলে পানি বাড়লে আমাদের বিক্রিও বেড়ে যায়। শনি-মঙ্গলবারের হাটে ১ থেকে ৫ হাজার টাকার সরঞ্জামাদি বিক্রি করতে পারি। ফলে ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা লাভ হয়।

ফাঁদ কিনতে আসা মইদাম ভুষির ভিটা এলাকার তফের আলী বলেন, আমাদের বাড়ির পাশের বিল, আবাদি জমি ও ছোট ছোট ডোবা-নালায় পানি বাড়তে শুরু করেছে। আর সেখানে দেখা মিলছে বিভিন্ন জাতের দেশি মাছ। আমি বর্ষাকাল শুরু হলেই মাছ ধরি, এটা আমার নেশা। তাই মাছ ধরার জন্য বাইড় কিনতে এসেছি।

পলো ও জাল কিনতে আসা উপজেলার সোনাহাট ঘুন্টিঘর এলাকার মতিয়ার রহমান বলেন, বৃষ্টির সিজনে পানি বাড়লে বিল থেকে নিজ হাতে মাছ শিকার করি। এতে বাজার থেকে মাছ কিনতে হয় না। এ মাছের যেমন পুষ্টি তেমনি ঢেকুর তোলা স্বাদ।

তবে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, অবৈধ জাল ও বাঁশের তৈরি কিছু ফাঁদ ব্যবহারের কারণে দেশীয় মাছের বংশ বিস্তার অনেকটাই কমে এসেছে। এটি এখনই বন্ধ করা না গেলে এ অঞ্চলে এক সময় দেশি মাছের বিলুপ্তি ঘটবে।

তারা বলছেন, সরকারি-বেসরকারি উদ্দ্যোগে মাছ ধরার টেকসই উপকরণ যা মাছের ছোট পোনাকে বেরিয়ে যেতে দেয় এবং মাছের বংশ বিস্তারে সহায়ক হয় এমন সরঞ্জাম ব্যবহারে মৎস্যজীবী সহ সাধরণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

প্রকাশনা

সম্পাদক মন্ডলির সভাপতি : মোঃ এনামুল হক

উপদেষ্টা সম্পাদক: মোঃ মোজাহার হোসেন

প্রকাশক ও সম্পাদক: মোঃ নাহিদুল ইসলাম

বার্তা সম্পাদক: সি. আই মামুন

নির্বাহী সম্পাদক:

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক:

© All rights reserved © 2024 কুড়িগ্রাম প্রতিদিন
Theme Customized By BreakingNews