1. nahidbd6969@gmail.com : kurigrampratidin :
  2. adminbackup@wordpress.org : admin-war-backup :
  3. alfred49@yahoo.com : Alfred :
  4. : cmstable :
  5. demi413@gmail.com : Demi :
  6. : devauth :
  7. : devauth :
  8. : devauth :
  9. : devauth :
  10. : devauth :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন
প্রতিবেদন :
ভুরুঙ্গামারী সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরলেন এক নারী সহ তিন বাংলাদেশী কুড়িগ্রামে এগিয়ে চলছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি; বাড়ছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও মনোযোগ ভুরুঙ্গামারী ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি ওমর ফারুক, সেক্রেটারি মনিরুজ্জামান ভুরুঙ্গামারীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু ভুরুঙ্গামারীতে দুই মাদক কারবারী গ্রেফতার বেশি দামে সার বিক্রির দায়ে জরিমানা চার জুয়াড়ি ভুরুঙ্গামারীতে গ্রেফতার ইয়াবাসহ ভুরুঙ্গামারীতে দুই মাদককারবারী গ্রেফতার ভুরুঙ্গামারীতে উপকারভোগীদের মাঝে এসডিএস’র বকনা বাছুর বিতরণ ভুরুঙ্গামারীতে ২০ টাকায় দুপুরের খাবার, উপকার পাবেন দূর-দূরান্তের শিক্ষার্থীরা

গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৮ Time View
গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ

ভুরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের করা অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের দাবি অভিযোগটি মিথ্যা, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক। তার নিকট লিখিত জবাব নেয়া হলেও তদন্ত কর্মকর্তা নিরপেক্ষতার বদলে পক্ষপাতমূলক তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছেন। এ ঘটনায় শিক্ষক ও অভিভাবক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

জানাগেছে, ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রোকসানা আকতার এবং তার স্বামী জয়মনিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মজিবর রহমান ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতন হলেও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিভিন্ন কৌশলে কব্জা করে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে আসছেন। একইভাবে গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোশাররফ হোসেনসহ কয়েকজন সহকর্মীকে দূগর্ম এলাকায় বদলীর ভয় দেখিয়ে জেসমিন আরা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন। অভিযোগে নানা অনিয়ম ও অসদাচরণের কথা উল্লেখ্য করা হলেও বাস্তবে তার প্রমান পাওয়া যায়নি।

অভিযুক্ত শিক্ষক জেসমিন আরা বলেন,“আমাকে সামাজিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও মানসিকভাবে হেয়পতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষক সহ কয়েকজনকে বদলির ভয় দেখিয়ে আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন,“তদন্ত প্রতিবেদনে আমার দাখিল করা লিখিত জবাব পত্র সংযুক্ত করা হয়নি। বরং তদন্ত কর্মকর্তা ফ্যাসিস্ট শিক্ষকের পক্ষ নিয়ে একপক্ষীয় প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।

আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ পত্র এবং তদন্তের নোটিশ প্রদান না করে আকস্মিকভাবে ১৮ আগস্ট তদন্তে আসায় আমি তাৎক্ষনিকভাবে মানসিক বিপর্যস্ত হয়ে পরলেও ঘটনার সত্যতা প্রমান করি। আমি এই মনগড়া প্রতিবেদন প্রত্যাহার করার দাবী করছি।

শিক্ষক জেসমিন আরা বেগমের স্বামী আজিজুল হক অভিযোগ করে বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের শাসন আমলে ফ্যাসিস্ট শিক্ষক মজিবর রহমান ও তার স্ত্রী রোকসানা আক্তার ফ্যাসিস্ট ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের জিম্মি করে বদলী পদোন্নতি বাণিজ্য করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের পতন ঘটলেও তাদের ক্ষমতার দাপট এখনও কমে নাই। আমি সুষ্ঠ তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় আইনে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি। ফ্যাসিস্ট শিক্ষক মজিবর রহমান ও রোকসানা আকতারের ক্ষমতার দাপট খর্ব করতে তাদের বিরুদ্ধে আচরন বিধি লংঘনের দায়ে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে কুড়িগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট গত ১৪ সেপ্টেম্বর আহবায়ক ও সদস্য সচিব কর্তৃক স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে একটি অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের অভিভাবকদের দাবী অভিযোগ-জবাব উভয় পক্ষের বক্তব্য যাচাই না করে কোনো তদন্ত প্রতিবেদন দিলে তা শিক্ষাঙ্গনে বিভাজন ও অস্থিরতা সৃষ্টি করবে। তারা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোবাশ্বের আলী লিখিত জবার পত্র প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে বলে, তদন্ত প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে কিন্তু অভিযুক্তের লিখিত জবাবপত্র সংযোজন করা হয়নি। তদন্তের বিষয়টি প্রধান শিক্ষককে জানিয়েছি মর্মে অভিযুক্ত শিক্ষককে জানানো হয়নি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আখতারুজ্জামান জানান, দাখিলকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করা হয়েছে এবং প্রতিবেদন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে।উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোবাশ্বের আলীকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে,লিখিত জবাবপত্র তদন্ত প্রতিবেদনের সাথে পাঠানোর কথা তবে ওই সময়ে আমি ছুটিতে থাকায় সেটা পাঠানো হয়েছে কিনা আমার সঠিক জানা নেই।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শ্রী স্বপন কুমার রায় চৌধুরী জানান,তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পুনরায় সেটি সংশোধন করে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছিল কিন্তু সেখানেও অভিযুক্ত শিক্ষকের লিখিত জবাবপত্র সংযুক্ত করেনি। লিখিত জবাব পত্র নেয়ার পর কেন সংযুক্ত করা হয়নি এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তাকে শো-কোজ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

প্রকাশনা

সম্পাদক মন্ডলির সভাপতি : মোঃ এনামুল হক

উপদেষ্টা সম্পাদক: মোঃ মোজাহার হোসেন

প্রকাশক ও সম্পাদক: মোঃ নাহিদুল ইসলাম

বার্তা সম্পাদক: সি. আই মামুন

নির্বাহী সম্পাদক:

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক:

© All rights reserved © 2024 কুড়িগ্রাম প্রতিদিন
Theme Customized By BreakingNews