1. nahidbd6969@gmail.com : kurigrampratidin :
  2. adminbackup@wordpress.org : admin-war-backup :
  3. alfred49@yahoo.com : Alfred :
  4. : cmstable :
  5. demi413@gmail.com : Demi :
  6. : devauth :
  7. : devauth :
  8. : devauth :
  9. : devauth :
  10. : devauth :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন
প্রতিবেদন :
ভুরুঙ্গামারী সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরলেন এক নারী সহ তিন বাংলাদেশী কুড়িগ্রামে এগিয়ে চলছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি; বাড়ছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও মনোযোগ ভুরুঙ্গামারী ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি ওমর ফারুক, সেক্রেটারি মনিরুজ্জামান ভুরুঙ্গামারীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু ভুরুঙ্গামারীতে দুই মাদক কারবারী গ্রেফতার বেশি দামে সার বিক্রির দায়ে জরিমানা চার জুয়াড়ি ভুরুঙ্গামারীতে গ্রেফতার ইয়াবাসহ ভুরুঙ্গামারীতে দুই মাদককারবারী গ্রেফতার ভুরুঙ্গামারীতে উপকারভোগীদের মাঝে এসডিএস’র বকনা বাছুর বিতরণ ভুরুঙ্গামারীতে ২০ টাকায় দুপুরের খাবার, উপকার পাবেন দূর-দূরান্তের শিক্ষার্থীরা

অবৈধ ক্যাবল নেটওয়ার্ক ব্যবসায় সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে কোটি টাকা

  • Update Time : শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ১১২ Time View

খালেদ হাসান, জেলা প্রতিনিধি বগুড়া:

সারা দেশে জেলা উপজেলা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামে কোন ধরনের অনুমোদন ছাড়াই ডিস ব্যবসা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি অসাধু চক্র। সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে কয়েক কোটি টাকা।

দেশে প্রায় ০৬ কোটি ক্যাবল সংযোগ গ্রাহক রয়েছে গড়ে মাসে ২০০ টাকা সংযোগ পতিহার ধরা হলে মাসে এই খাতে ১২,০০ কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে, বছরে যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠানের কাঠামো গড়ে না ওঠায় এই খাতে বিপুল পরিমাণ টাকা অবৈধ থেকে যাচ্ছে।
সরকারের রাজস্ব খাতেও যোগ হচ্ছে না প্রত্যাশিত রাজস্ব। অবৈধ অর্থের উৎস হওয়ায় খাতটিতে চলছে চরম নৈরাজ্য, ও পেশীবাজদের দৌরাত্ম্য দেশব্যাপী ৪০ হাজারের অধিক অপারেটর থাকলেও লাইসেন্স বিহীন ভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছে অধিকাংশ অপারেটর। কঠোর নজরদারি ও আইনের সঠিক বাস্তবায়ন থাকলে এই খাতটি আরো বিস্তৃত যেমন হতো তেমনি সরকারি কোষাগারে জমা পড়তো বিপুল পরিমাণ অর্থ। এই খাতে শৃঙ্খলা আনতে সরকারকে ক‍্যাবল টিভি আইন ২০০৬ প্রণয়ন করে। এই আইনে বলা হয়েছে লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করা যাবে না। আইনটিতে এমএসও (মাল্টি সার্ভিস অপারেটর)
সিও (কেবল অপারেটর) এবং এফও (ফিট অপারেটর) এই তিন ধরনের লাইসেন্স প্রদানের উল্লেখ থাকলেও দেয়া হচ্ছে সিও এবং এফও লাইসেন্স। আইনে এমএসওর কথা উল্লেখ থাকলেও এই লাইসেন্সের কোনো নিয়মনীতি না থাকায় দেশে একটিও এমএসও লাইসেন্স প্রদান করা হয়নি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে বেশিরভাগ ক্যাবল অপারেটর ও ফিট অপারেটরই লাইসেন্স না নিয়ে দিব্যি ব্যবসা করে যাচ্ছেন। বিটিভি লাইসেন্স অধিদপ্তর জনবলের অভাবে এ বিষয়ে তেমন কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না তবে অধিদপ্তর দেশে বৈধ-অবৈধ অপারেটর চিহ্নিত করতে সকল জেলা প্রশাসককে সকল বৈধ-অবৈধ অপারেটরের তালিকা প্রদানের জন্য চিঠি দিয়েছে। তালিকা পেলে অবৈধ অপারেটরদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানা গেছে।
অবৈধ অপারেটররা সরকারকে রাজস্বও দেয় না। সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ে ক্যাবল অপারেটরদের প্রদানকৃত সার্ভিস চার্জের উপর ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপ করলেও প্রত্যাশিত স্তরে ভ্যাট আদায় হচ্ছে না।

দেশের অর্থনীতিবীদরা মনে করেন সারাদেশের এই অবৈধ ক্যাবল নেটওয়ার্ক ব্যবসা আইনের আওতায় নিয়ে আসলে বিপুল পরিমাণে লাভজনক হবে সরকারি অর্থনৈতিক রাজস্ব খাত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

প্রকাশনা

সম্পাদক মন্ডলির সভাপতি : মোঃ এনামুল হক

উপদেষ্টা সম্পাদক: মোঃ মোজাহার হোসেন

প্রকাশক ও সম্পাদক: মোঃ নাহিদুল ইসলাম

বার্তা সম্পাদক: সি. আই মামুন

নির্বাহী সম্পাদক:

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক:

© All rights reserved © 2024 কুড়িগ্রাম প্রতিদিন
Theme Customized By BreakingNews