চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ
চুনারুঘাট উপজেলার আমুরোড বাজারের দুপার্শে রাস্তার উন্নয়ন কাজ চলছে।দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দুই পার্শের কাজ সম্পন্ন করার কথা।এরই মাঝে ইউনিয়ন অফিস সংলগ্ন রাস্তাটি কেবি কনষ্ট্রাকশন কাজ শুরু করেছে।শুরুতেই রাস্তার দুপার্শে বিচানো প্রায় ৪ হাজার ইট ট্রাক্ট্রর যোগে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান ঠিকাদারের প্রতিনিধি( সাব কন্ট্রাক্টর) লিটন মিয়া। এ নিয়ে স্থানীয় বাজারবাসীর মধ্যে তীব্র প্রতিবাদের ঝড় বইছে।বাজারের ব্যবসায়িরা বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলী মিশুক কুমার দত্তকে জানালে তিনি ঠিকাদের উপর রাগান্বিত হয়ে ইট গুলো পুনঃরায় ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেন।
ঠিকাদার নিজে তো একটি ইটও ফেলেননি বরং সরকারী ইট তোলে নিয়ে চরম অন্যায় করেছেন বলে মন্তব্য করেন সাবেক চেয়ারম্যান হাজী আব্দুল লতিফ। এ দিকে স্থানীয় যুবলীগ নেতা ও বাজারের রড-সিমেন্ট ব্যবসায়ি বেলাল আহমেদ বলেন, আমি প্রথমে ভাবছিলাম ইঞ্জিনিয়ারের নির্দেশে এত গুলো ইট লিটন ভাই নিচ্ছেন,পরে শুনি সেটা তার ব্যাক্তিগত সিদ্ধান্ত ছিল।সততা তৈল ডিপোর মালিক আঃ মুকিত বকুল,সোহেল পোল্ট্রি,উজ্জ্বল কম্পিউটার, মালেক ইলেকট্রনিক্স ও বাজারের ঘর মালিক কামরুল হাসান শামীম একই অভিযোগ করে ইট গুলো ফেরৎ নেয়ার জন্য উপজেলা প্রকৌশলীর প্রতি বিনিত অনুরোধ করেন। সার,বীজ ও কীটনাশক ব্যবসায়ি সাইফুর রহমান সবুজ বলেন, কেবি কনষ্ট্রাকশন এর পুর্বে ছয়শ্রী রাস্তা পাকাকরণ ও স্কুলের দেয়াল নির্মানে রড না দিয়ে ডালাইয়ের কাজ করার দুর্নাম রয়েছে।যে কারনে ঠিকাদারের কাজে সার্বক্ষণিক দেখবাল করার অনুরোধ করেন তারা।
লিটন মিয়ার বাড়ি আমুরোড এলাকার গনশ্যামপুর গ্রামে।তাই প্রভাব দেখিয়ে ইট গুলো তছরুপ করার চেষ্ঠা করছিলেন বলে অভিযোগ করেন ব্যবসায়িক চাঁন মিয়া।
প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য ঐতিহ্যবাহী আমুরোড বাজার উন্নয়ন ও রাস্তার কাজ সঠিক ভাবে সম্পন্ন হবে সেই প্রত্যাশা করেন আমুরোড বাজারের সাবেক সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা হাজী আঃ রহমান আজাদ ও বীরমুক্তিযোদ্ধা নমীর খান সহ সাধারণ জনতা।
Leave a Reply