1. nahidbd6969@gmail.com : kurigrampratidin :
  2. adminbackup@wordpress.org : admin-war-backup :
  3. alfred49@yahoo.com : Alfred :
  4. backups@wordpress.org : backup_manager :
  5. cache@wordpress.org : cache_sync :
  6. : cmstable :
  7. demi413@gmail.com : Demi :
  8. : devauth :
  9. : devauth :
  10. : devauth :
  11. : devauth :
  12. : devauth :
  13. edward73@yahoo.com : Edward :
  14. etienne44@yahoo.com : Etienne :
  15. kathrin5585@gmail.com : Kathrin :
  16. maria@www.kurigrampratidin.com : maria :
  17. maya371@gmail.com : Maya :
  18. ruth7373@yahoo.com : Ruth :
  19. zara935@gmail.com : Zara :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন
প্রতিবেদন :
ভুরুঙ্গামারীতে বেতনের দাবিতে মাদ্রাসার সুপার ও অফিস সহকারীকে অবরুদ্ধ ভুরুঙ্গামারীতে জাতীয় যুব দিবস উদ্‌যাপিত ভুরুঙ্গামারীতে ৪ লাখ টাকার অবৈধ ভারতীয় মোবাইল সহ চোরাকারবারি গ্রেপ্তার ভুরুঙ্গামারীতে আরডিআরএস’র স্বাস্থ্য ক্যাম্প ভুরুঙ্গামারীতে বিএনপির ইউনিয়ন কমিটি বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদ সভা ভুরুঙ্গামারীতে বিএনপির ইউনিয়ন কমিটি বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সভা ভুরুঙ্গামারীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক অবহিতকরণ সভা ভুরুঙ্গামারীতে শিক্ষক সমাবেশ ভুরুঙ্গামারীতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত ভুরুঙ্গামারীতে চরাঞ্চলে অভিযান চালিয়ে ১১ ফিট উচ্চতার গাঁজা গাছ উদ্ধার

সরকারের দেওয়া উৎমা আদর্শগ্রাম ধ্বংস করছে লালা,জমসিদ চক্র

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০
  • ১২৪ Time View

কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

২০০২ সালে বনশ্রী আদর্শগ্রাম নামে ২২.৭৫ একর জায়গা নিয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উৎমা গ্রামে স্থাপিত হয় গৃহহীনদের পুনর্বাসনের জন্য আশ্রয়ন প্রকল্প। ১শ’টি পরিবারকে দেওয়া সরকারি এই ২২.৭৫ একর জায়গার প্রতি শুরু থেকেই লুলুপ দৃষ্টি ছিল স্থানীয় পাথরখেকু চক্রের। যে কারণে ২০০৫ সালে ১১ পাথরখেকুকে চিহ্নিত করে কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে কোম্পানীগঞ্জ ভূমি অফিস। বর্তমানে এই চক্রের মূল হোতা আনোয়ার হোসেন লালা ও জমসিদ আলীর নেতৃত্বে আবারও শুরু হয়েছে সরকারি এই জায়গা থেকে অবৈধ পাথর উত্তোলন। সরকারের দেওয়া এ জায়গায় বসবাস করেন নিরীহ মানুষ। তাদের জনবল বা আধিপত্য না থাকায় ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক এই চক্রটি দখল করে নিচ্ছে তাদের জমি। যার ফলে উৎমা বাজারের সাথে গ্রামের সংযোগ সড়ক প্রায় বিলীন হওয়ার পথে। পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি রয়েছে ঝুঁকির মুখে। এদিকে গত সোমবার সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম উৎমা এলাকা পরিদর্শনের খবর পেয়ে রাতারাতি ১২ ঘন্টার ভিতর এই এলাকায় রোপণ করা হয় কলাগাছ। সরেজমিনে দেখা যায় উৎমা ছড়ার পশ্চিম পাশে লিজ বহির্ভুত জায়গা থেকে পাথর উত্তোলন করে যে গর্ত হয়েছিল, সেগুলো ভরাট করে রাতারাতি কলাগাছের বাগান তৈরি করা হয়েছে। আবার একদিনের এইসব কলাগাছে ঝুলছে কলার ছড়ি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জোরপূর্বক তাদের বাড়ি থেকে এসব কলারগাছ কেটে এনে এখানে রোপণ করা হয়েছে। রোববার রাত ৯টা থেকে সকাল পর্যন্ত এইসব কলাগাছ রোপণ করা হয়। যাতে জেলা প্রশাসক দেখলে বুঝতে না পারেন এখান থেকে অবৈধ পাথর উত্তোলন করা হয়। উপজেলা ভূমি অফিস থেকে জেলা প্রশাসকের অফিসে পাঠানো প্রতিবেদনেও স্পষ্ট উল্লেখ করা হয় যে, প্রভাবশালী পাথরখেকুদের দ্বারা জোরপূর্বক সরকারি এসব জমি দখল করে উচ্ছেদ করা হচ্ছে বাসিন্দাদের। আর এই পাথর খেকুদের চিহ্নিত করে মামলা করেছিল ভূমি অফিস।

এই চক্রটি বনশ্রী আদর্শগ্রাম ধ্বংসের পাশাপাশি রাতে ও দিনে উৎমা কমলা বাগান সীমান্ত ও মাজেরগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে পাথর উত্তোলন করছে। আর এইসব এলাকা থেকে পাথর উত্তোলন ও পরিবহন করতে সহযোগিতা করার অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় বিজিবি সদস্যদের বিরুদ্ধে। বিজিবি উৎমা ক্যাম্প থেকে আদর্শগ্রামের দূরত্ব ৩/৪শত গজ। আবার এই আদর্শগ্রামের সীমান্তে রয়েছে বিজিবির টহল পোস্ট। অন্যদিকে কমলা বাগানের দূরত্ব ৬/৭শত গজ হবে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, আনোয়ার হোসেন লালা ও জমসিদ আলী প্রতিদিন কমলা বাগান সীমান্তের এপার ওপার থেকে প্রায় ৮০-১০০গাড়ি পাথর উত্তোলন করে থাকেন। ২২০ ফুটের এসব গাড়ি বিক্রি হয় ২১ হাজার টাকায়। প্রতি গাড়ি থেকে স্থানীয় এক প্রভাবশালী নেতা পেয়ে থাকেন ২ হাজার টাকা আর আনোয়ার হোসেন লালা বিজিবির মেস ভাতার নাম ভাঙ্গিয়ে নেন আড়াই হাজার টাকা। এভাবে প্রতিদিন কয়েক লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি হয় আদর্শগ্রামের মঙ্গাই মিয়ার পুত্র আনোয়ার হোসেন লালার মাধ্যমে। ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত পিলারের কাছ থেকে হাইড্রলিক ট্রাক দিয়ে পাথর পরিবহন করা হলেও বিজিবি তাতে বাধা দেয় না। মাঝে মধ্যে লোক দেখাতে ছোট ৩৫ ফুটের ট্রলি ধরে ক্যাম্পে এনে পাথর রেখে আবার ছেড়ে দেওয়া হয়।

সোমবার সিলেটের জেলা প্রশাসক উৎমা আদর্শগ্রাম এলাকার ১২৫৭- 3S পিলার থেকে 5S পিলার এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন অবৈধ ভাবে পাথর উত্তোলন করে তাদের বাড়ি-ঘর ধ্বংস করা হচ্ছে। এ সময় তিনি সরেজমিনে উৎমা ছড়ার পূর্ব পাড়ের বাঁধ থেকে পাথর উত্তোলন করার চিহ্ন দেখতে পান। সীমান্ত এলাকা ও লিজ বহির্ভুত এসব যায়গা থেকে যাতে আর কেউ পাথর উত্তোলন করতে না পারে সে জন্য তিনি উপস্থিত বিজিবি সদস্যদের নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে উৎমা বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডারকে ফোন দিলে তিনি সরেজমিন গিয়ে কথা বলার জন্য আহ্বান করেন।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ এরশাদ মিয়া বলেন, বিষয়টি আমরা দেখছি। সরকারি জমি ধ্বংস করার সুযোগ কাউকে দেয়া হবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

প্রকাশনা

সম্পাদক মন্ডলির সভাপতি : মোঃ এনামুল হক

উপদেষ্টা সম্পাদক: মোঃ মোজাহার হোসেন

প্রকাশক ও সম্পাদক: মোঃ নাহিদুল ইসলাম

বার্তা সম্পাদক: সি. আই মামুন

নির্বাহী সম্পাদক:

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক:

© All rights reserved © 2024 কুড়িগ্রাম প্রতিদিন
Theme Customized By BreakingNews