খালেদ হাসান, বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ
বগুড়ার মহাস্থান প্রেসক্লাবের সভাপতি সহ ৪ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা হয়রানী মূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়।
প্রতিবাদ সভায় উল্লেখ্য সূত্রে জানা যায়, বগুড়ার বাঘোপাড়া এলাকার বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত কথিত আকাশ ইসলাম নামের হলুদ সাংবাদিক। যার শিক্ষাগত কোন সার্টিফিকেট নেই। সারাদিন বড় একটি ক্যামেরা কাধে নিয়ে ২/১টি সংবাদ সংগ্রহ করে সন্ধ্যায় প্রকৃত সাংবাদিকদের ধরনা ধরে সংবাদ লিখে নিয়ে নিজের নাম বসিয়ে চালিয়ে নেয়। তার বিরুদ্ধে এলাকায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বিগত সময়ে সে মহাস্থান প্রেসক্লাব সদস্য ছিল। মহাস্থান প্রেসক্লাবের সদস্য হওয়ায় সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রেসক্লাবের নামে বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি শুরু করে। এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে প্রেসক্লাবে অভিযোগ এলে সে সময়ের সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান সাজু তাকে প্রেসক্লাব থেকে বহিস্কার করেন। সাম্প্রতিক মহাস্থান ২টি প্রেসক্লাব একত্রিত করে নির্বাচনে সভাপতি হয় আনিছুর রহমান মিটু। এই প্রেসক্লাবের সদস্য হওয়ার জন্য কথিত সাংবাদিক আকাশ ইসলাম প্রস্তাব দেন। প্রেসক্লাবের এক মাসিক সভায় আকাশের সদস্য ব্যাপারে উপস্থাপন করলে প্রেসক্লাবের সকল সদস্য তার অপসাংবাদিকতা তুলে ধরে তাকে না নেওয়ার স্বত্ত্বে অনীহা প্রকাশ করে। এমতাবস্থায় তাঁকে প্রেসক্লাবে না নেওয়ায় এক সময় ওই কথিত সাংবাদিক আকাশ মহাস্থান এলাকাজুড়ে বেপরোয়া ভাবে চাঁদাবাজি সহ অসহায় নিরীহ ব্যক্তিদের বিপদের ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নেয় মোটা অঙ্কের টাকা। এসব অভিযোগ ধারাবাহিকভাবে প্রেসক্লাবে আসতে শুরু করে। এরপর মহাস্থান প্রেসক্লাবের নির্বাহী সভায় হলুদ সাংবাদিকদের প্রতিকার করতে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়। এরপর গত ৪/৯/২০ইং শুক্রবার রাত ৯টায় কথিত সাংবাদিক আবারও পূর্বের মত দাঁতে ধার দিয়ে মহাস্থান পাথরপট্রি এলাকায় চাঁদাবাজি করতে আসে। একটি সূত্রে প্রেসক্লাবের সভাপতি আনিছুর রহমান মিটু জানতে পেরে প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি, যুগ্ন সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষকে সঙ্গে নিয়ে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে তাঁকে শিবগঞ্জ থানা পুলিশের হাতে দেওয়ার প্রক্রিয়া চালান। একপযার্য়ে তার কিছু সহযোগী আকাশের ভুল হয়েছে তাঁকে একটা সুযোগ দেওয়া হোক মর্মে অনুরোধ জানিয়ে তাকে ছেড়ে নিয়ে যায়।
এরপর কিছু কুচক্র ব্যক্তির পরামর্শে শিবগঞ্জ থানায় ওই কথিত সাংবাদিক আকাশ তাঁকে মারপিট করা হয়েছে উল্লেখ্য করে শিবগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ করেন। পরে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদিউজ্জান বিষয়টি উভয়পক্ষকে নিয়ে বসে একটা সমাধান করা হবে বলে জানান। ওসি বদিউজ্জামানের কথামত দেন দরবারে বসলে হয়তো তার আসল রূপ ফাঁস হয়ে যাবে। এজন্য ওসির কথা কর্ণপাত না করে কিছু কুচক্র ব্যক্তির যোগসাজে বগুড়া তাঁকে মারপিট, ছিনতাই উল্লেখ করে, সদর কোর্টে
গত ১৪/৯/২০ইং ‘মিথ্যা ও হয়রানি মূলক’ মামলা দায়ের করেন।
এই মামলার ১নং আসামী করা হয়,
মহাস্থান প্রেসক্লাব এর সভাপতি আনিছুর রহমান মিটু, দৈনিক প্রভাতের আলো পত্রিকার মহাস্থান প্রতিনিধি।
২নং আসামী করা হয়, প্রেসক্লাব এর সহ-সভাপতি সৈয়দ আব্দুর রহিম সাজু, দৈনিক উত্তরকোণ পত্রিকার মহাস্থান প্রতিনিধি।
৩নং প্রেসক্লাব এর কোষাধ্যক্ষ নুরনবী রহমান, দৈনিক সরেজমিন বার্তা (বগুড়া) জেলা প্রতিনিধি,
৪নং প্রেসক্লাবের যুগ্ন সম্পাদক গোলাম রব্বানী শিপন, দৈনিক প্রত্যাশা প্রতিদিন মহাস্থান (বগুড়া) প্রতিনিধি। এদিকে মহাস্থান প্রেসক্লাব এর সভাপতি সহ ৪ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক’ মামলার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানি
Leave a Reply