মেছবাহুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
কিছুদিন আগে সবজির দাম নিয়ে হা হুতাশ করছিলেন ক্রেতারা। তবে এখন দাম কমে আসায় কিছুটা স্বস্তি এসেছে। কারণ বেশিরভাগ সবজি এখন ৩০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। এর সঙ্গে পেঁয়াজের দামও ক্রেতাদের স্বস্তি দিচ্ছে।
তবে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম। বাজারে খুচরা প্রতি লিটার তেলের দাম ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে। এছাড়া দাম বেড়েছে চিনির। অপরিবর্তিত রয়েছে চাল, মুরগি, গরু ও খাসির মাংসসহ অন্যান্য পণ্যের দাম।
শনিবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে উপজেলা বড় বাজার ভূরুঙ্গামারী বাজারের এ চিত্রই দেখা গেছে।
বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে এখন সব ধরনের শীতের সবজি ভরপুর। ফুলকপি, বাঁধাকপি, শালগম, মুলা, বেগুন, পাকা টমেটো কোনো কিছুর কমতি নেই। দিন দিন এসব সবজির সরবরাহ বাড়ছে। ফলে দাম কমছে। সামনে দাম আরও কমবে।
ভূরুঙ্গামারীর বিভিন্ন কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে ভালো মানের দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা। দুই কেজি নিলে কোনো কোনো বিক্রেতা ৫৫ টাকা রাখছেন। অথচ কিছুদিন আগেই দেশি পেঁয়াজের কেজি ছিল ৭০ টাকা। কিছুদিন আগে ৫০-৬০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া নতুন আলু এখন মানভেদে ২০-২৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। সবচেয়ে ভালো মানের নতুন আলু কোনো কোনো বিক্রেতা দুই কেজি ৪৫ টাকায় বিক্রি করছেন।
কিছুদিন আগে পাকা টমেটোর কেজি ছিল ১০০ টাকার ওপরে। এখন তার থেকে ভালো মানের পাকা টমেটো ২০-৩০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। এছাড়া মুলা ৮ থেকে ১০ টাকা, গাজর ২৫ থেকে ৩০ টাকা, বেগুন ১৫ থেকে ২৫ টাকা, উস্তা ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। ৩০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বড় লাউ।
মইদাম বাজারের ক্রেতা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কর্মকর্তা আব্দুল কাদের আলী বলেন, বাজারে মাছের দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে। বাজার ঘুরে দেখলাম সবজির দাম অনেক কমেছে। কিন্তু বেড়েছে ভোজ্যতেল আর চিনির দাম। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম আমাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকলে ভালো হতো।
Leave a Reply